ইণ্টারভ্যু

সৈয়দ মুজতবা আলী

‘ইণ্টারভ্যু’ নামক চরম বেইজ্জতীর মস্করা যে কত নব নব রূপে প্রকাশিত হয় তার বর্ণনা আরেক দিন দেব। ‘দেশে’ এই মর্মে একাধিক চিঠি বেরিয়েছে, এবং আগে ভাগে কাকে চাকরি দেওয়া হবে সেটা ঠিক করে নিয়ে যে চোট্টামির ইণ্টারভ্যু-প্রহসন করা হয় তারও বর্ণনা এ-চিঠিগুলোতে ও আমার সতীর্থের মূল প্রবন্ধে আছে। তবে এ বাবদে শেষ কথা বলেছে আমার এক তুখোড় তালেবর ভাগিনা। ডাঙর নোকরি করে, ঢাউস যা গাড়ি ব্যাঙ্ক দিয়েছে তার ভিতর এক পক্ষে মা সহ তার তিন মাসী অন্য পক্ষে তার তিন মামী রীতিমত ব্যূহ নির্মাণ করে কাশ্মীর-শিয়ালকোট-কচ্ছের রণের[১] রণমোহড়া দিতে পারেন (বলা বাহুল্য মামীরাই হারেন, কারণ তাঁরা এসেছেন তিন ভিন্ন ভিন্ন পরিবার থেকে)। ভাগিনাটিকে প্রায়ই ইণ্টারভ্যু নিতে হয়—অর্থাৎ সিট্‌স্‌ অন দি রাইট্‌ সাইড্‌ অব দি টেব্‌ল্‌। একদিন বেজায় উত্তেজিত হয়ে সে আমাকে একটি কর্মখালির বিজ্ঞাপন পড়ে শোনালে। তাতে ওমেদারের বয়স কত হবে, কি কি পাস থাকা চাই, এপেনডিকসের দৈর্ঘ্য তার কতখানি হবে, তার পরিবারে নিদেন কটা খুন হয়ে থাকা চাই ইত্যাদি বেবাক বাৎ ছিল। ভাগিনা তারপর কুঞ্চিত করে খানিকক্ষণ খত খত করে বললে ‘খাইছে! ফোডাগেরাপ্‌ দ্যাওনের বাৎ বেবাক ভ্যুল্যা গ্যাছে। হুইডার তলায় লেখা থাগ্‌বো, “None need apply whose appearance does not resemble the above photograph.” কি কন, মামু?’ আমি আর কি বলবো? এটা করলে তো অত্যন্ত সাসুজনোচিত আচরণ হত। এর চেয়ে ঢের ঢের নাস্টি (ইচ্ছে করে ন্যাস্টি উচ্চারণ করতে, সে উচ্চারণে ঘেন্নাটার খোলতাই হয় বেশী যেমন ‘পিশাচ’ বা ‘পিচাশ’ না বলে সর্বোৎকৃষ্ট হয় ‘পিচেশ’ বললে!) উদাহরণ আমি একটা জানি।

ফার্সীর লেকচারার নেওয়া হবে। আমাকে স্পেশালিস্ট হয়ে যেতে হবে। আমি বে-কসুর না-মঞ্জুর করে দিলুম। যদিও চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে মনে হল না, এর ভিতরে কোনো নষ্টামী আছে। তবু, আমি এই ‘জামাই ঠকানো’র—সুনন্দের ভাষায়—ফিস্কিরি-মস্করার হিস্যেদার হতে চাই নে। দু’দিন পর মৌলানা আজাদ ফোন করে জানতে চাইলেন, আমি যেতে আপত্তি করছি কেন? তখন বুঝলুম, উনিই আমার নাম স্পেশালিস্টরূপে প্রস্তাব করেছিলেন এবং এখন আমি সেটি গ্রহণ করতে অস্বীকৃত হচ্ছি বলে কর্তৃপক্ষ তাঁকে সেটা জানিয়ে ফরিয়াদ করেছেন—। মৌলানার পাণ্ডিত্যের প্রতি আমার অসাধারণ শ্রদ্ধা ছিল। তাই কাচুমাচু হয়ে এই ইণ্টারভ্যু বাবদে পরীক্ষক হিসেবেই, আমার পূর্ব পূর্ব নোংরা (ন্যাষ্টি!) তজবা-অভিজ্ঞতা জানালুম। দেখি, মৌলানা সমুচাহ্‌ ওয়াকিফহাল! কোনো প্রকারের তর্কাতর্কি না করে বললেন, আপনি গেলে ওরা সোজা পথে চলবে। যদি অন্যায় আচরণ দেখেন, আমাকে জানাবেন। ইন্টারভ্যুতে যে-সব অনাচার হয় তার কোনো বিচার নেই বলে, আমি টেবিলের কি এদিকে কি ওদিকে কোনো দিকে বসতে চাইনে (পেত্যয় না পেলে শ্ৰীযুত কালিদাস ভশ্চাযকে শুধোন!); কিন্তু এক্ষেত্রে মৌলানা আমার কাছ থেকে অনাচার-সংবাদ পেলে যে ওদের কান মলে দেবেন সেই ভরসায় গেলুম।

আমার সঙ্গে আরেকটি স্পেশালিস্ট ছিলেন। বাকীরা পাকা মেম্বার। তাঁদের একমাত্র কামনা, কাম খতম করে বাড়ি ফেরার। বিশেষত ‘লেড়ে’র ব্যাপার—চাকরিটা মিম্বরুল্লা পেল না মৃদম খান পেল সে নিয়ে তাদের ‘মাতাব্যাতা’ হবে কেন, ছাই!

তবু, ভদ্রতার খাতিরে তাঁরা দু-একটি প্রশ্ন শুধোলেন। সে ভারী মজা। যেমন, ‘আপনার মাদ্রাসায় ইংরিজীও পড়ানো হত?’—কথাবার্তা অবশ্য আংরেজীতেই হচ্ছে। কারণ প্রশ্নকর্তারা ফারসী ও ফরাসীর তফাৎ জানেন না।

‘জী, হ্যাঁ।’

‘কি পড়েছেন?’

‘জী রাসকিনের “সিসেম অ্যাণ্ড লিলিজ”, মিলটনের “এরিয়োপেজি—“’

‘শেকসপীয়র?’

‘জী।’

‘কি?’

‘হ্যামলেট।’

এবারে প্রশ্নকর্তা দারুণ উত্তেজিত হয়ে বললেন, ‘বাব্বা, বাব্বা! বেশ, বেশ। সুপ্রস্তাব!’

তার পর তিনি সোৎসাহে আরম্ভ করলেন, হ্যামলেটের আত্ম-আর্তনাদ—সলিলকি—“To be or not to be—”। তাকিয়ে আছেন কিন্তু আমার দিকে, ওমেদারের দিকে না—আমার অপরাধ? ইংরিজী খবরের কাগজেও একটা অত্যন্ত বেকার খবর বেরিয়েছে, আমার কি একটা বই কি যেন একটা প্রাইজ পেয়েছে, এবং স্বয়ং রাষ্ট্রপতি নাকি আমাকে প্রাইজটি দেবেন স্বহস্তে! আমাকেই ইম্‌প্রেস্‌ করা এখন তাঁর জীবন্মত্যুর চরম কাম্য—বলা তো যায় না, এখন থেকেই যদি রীতিমত আমাকে তোয়াজ করে ইম্‌প্রেস্‌ করা যায় তবে আমি হয়তো প্রাইজ নেবার সময় কানে কানে রাষ্ট্রপতিকে বলে দেবো, ‘হুজুরের আণ্ডার-সেক্রেটারি অনন্তভূত-পরাশলিঙ্গম্‌কে এখন একটি প্রমোশন দেওয়া উচিতস্য উচিত!’ অবশ্য সেটা সেরকম মোকা নয়। কিন্তু বলা তো যায় না—যদি হয়েই যায়। নেপোলিয়ন (আজকালকার ‘জ্ঞানীরা’ যাকে নাপোলেও বলেন, যেন আমাদের মত সে-যুগের রাম-পণ্টকরা খাঁটি উচ্চারণ জানতো না বলে বাংলাতে তদনুযায়ী সঠিক বানান লিখতে পারে নি!) বলেছেন, অসম্ভব বলে কিছুই নেই। নিশ্চয়ই তিনি জানতেন, কখন কিভাবে কাকে লুব্রিকেট—তেলাতে হয়!

তা সে যাই হোক, আমাকে ন’সিকে ইম্‌প্রেস্‌ করে হকচকিয়ে দেবার পর ওমেদারের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘বাকিটা কও কি? “Or to take arms against a sea of_” বাকিটা বলে যাও তো?

কালো চামড়ার তৈরী সর্বোৎকৃষ্ট স্প্রিং-সম্বলিত, পঞ্চাধিক ক্যূশনবিজড়িত গভীর আরাম-কেদারার তলা থেকে তিনি হাস্যরসের তুফানে ওঠা-নাবা করতে করতে বার বার বলেন, ‘তার পর কি, go on! ইউ সেড্‌ ইউভ্‌ রেড হ্যামলেট, against a sea of troubles—আরো সাহায্য করলাম তোমাকে। বাকিটা বলে যাও! আবার তিনি সোফাতে বৃন্দাবনের রসরাজসুলভ হিন্দোল-দোলে দুলতে লাগলেন।

আমি তাজ্জব! বেচারী ওমেদার এসেছে ফার্সী ভাষায় মেস্টারির চেষ্টায়। আঁ পাসাঁ, বেচারী একটুখানি ইংরেজী শিখেছিল বটে, কিন্তু সেইটেই তার ফর্‌ fort, সেইটেই তার piéce de reśistance, সেইটেই তার বলতে গেলে, কিছুই নয়—ইংরিজীর মাধ্যমে ফার্সী পড়াতে গেলে যতখানি ইংরিজী জানবার প্রয়োজন তার চেয়েও সে বেশী জানে সেটা তো ইতিমধ্যে তার কথাবার্তাতেই প্রমাণ হয়ে গেছে। তা সে যাকগে। ওমেদার বেচারী তো ঘেমে-নেয়ে ঢোল। আমি তখন তার দিকে চেয়ে মুচকি হেসে বললাম, ‘ওরকম নার্ভাস হবেন না। আপনি কতখানি ইংরিজী জানেন না-জানেন তার গুরত্ব সামান্যই। ওটা আপনি ভুলে যান। এবারে চলুন ফার্সীতে। সেইটে কিন্তু আসল। ঐ যে আপনার সামনে ফার্সী বই কয়েকখানি রয়েছে তারই যে কোনো একখানা থেকে কয়েক লাইন পড়ুন—প্রথম আপন মনে চুপে চুপে, পরে আমাদের শুনিয়ে। অনুবাদ? না, না, অনুবাদ করতে হবে না। আপনার পড়ার থেকেই তো বুঝে যাবো, আপনি ফার্সী বোঝেন কি না। আর যেটা পড়বেন তার দু-একটা শব্দ আপনার জানা না থাকলে কোনো ক্ষতি নেই। সবাই কি আর সব ফার্সী শব্দ জানে? তাহলে দুনিয়াতে অভিধান লিখত কে, পড়ত কে? তা সে যাক। আমার আর কোন প্রশ্ন-ট্রশ্ন নেই।’

এবারে ছেলেটার—হ্যাঁ, আমার ছেলের বয়সি—মুখে শুকনো হাসি ফুটলো; একটুখানি ভর্সা পেয়েছে। সেই হ্যামলেটওলা লোকটিও আসলে কিন্তু মানুষ ভালো। পাঁচটা কুশন দুলিয়ে ঠাঠা করে হেসে উঠলেন। বললেন—তাঁরই হ্যামলেটের স্মরণে—‘জষ্টিস্‌ ডিলেড হয় নি। হা হা, হা হা।’

ছেলেটি সুন্দর উচ্চারণে গড় গড় করে ফার্সী পড়ে গেল। কাশ্মীরী ব্রাহ্মণসন্তান; এবং পরে দেখা গেল, আরো হিন্দু, ওমেদার ছিল। ফার্সী আবহাওয়াতে আপন ঠাকুদ্দার কাছে লেখাপড়া শিখেছে। চেয়ারম্যান বললেন, ‘আপনি এখন যেতে পারেন!’ ছেলেটি সবাইকে মুসলমানী কায়দায় সেলাম জানালে, আমার দিকে তাকিয়ে কৃতজ্ঞতার একটু, শুকনো হাসি হাসতে গিয়ে থেমে গেল—কি জানি ওটা ঠিক হবে কি না, যদি ওতে করে নম্বর কাটা যায়! আমি মনে মনে বললাম ‘মারো ঝাড়, স্লা নোকরি ওর উসকী ইণ্টারভ্যু পর্।

উহুঁ! এটা শেষ নয়, এটা আরম্ভ মাত্র। ছেলেটির সেলামপর্ব শেষ হওয়ার পূর্বে আমার সঙ্গের দ্বিতীয় স্পেশালিস্টটি বললেন, ‘একটু, বসুন’—এবং সঙ্গে সঙ্গে আপন পকেট থেকে একটি চিরকুট বের করে তার হাতে দিয়ে বললেন, ‘পড়ুন।’

হায় বেচারা ক্যাণ্ডিডেট! ভেবেছিল তার গব্বযন্ত্রনা শেষ হল। এখন এ আবার কি ফাঁসি! বেচারী পর্চাখানির দিকে একদষ্টে তাকিয়ে রইল অনেকক্ষণ। স্পেশালিস্ট দশ সেকেণ্ড অন্তর অন্তর গুঁতেচ্ছেন ‘পড়ুন। পড়ছেন না কেন?’ ছেলেটি হোঁচট ঠোকর খেতে খেতে খানিকটা পড়লো। স্পেশালিস্ট বললেন, ‘অনুবাদ করুন।’ রাম পাঁঠা! পড়ার কায়দা থেকেই তো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে পাঠ্যবস্তু তার এলেমের বাইরে, তবে স্যাডিস্টের মত মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা কেন?

ছেলেটা নড়বড়ে পায়ে বেরিয়ে গেল।

আমি পর্চাটির জন্য স্পেশালিস্টের দিকে হাত বাড়ালুম। তিনি ‘কুছ নহী, কুছ নহী বলে সেটি পকেটে পুরে নিলেন। দুস্‌রা ক্যাণ্ডিডেট এল। এবারে হ্যামলেটের বদলে গ্রে’র কবিতা। সবশেষে আবার ঐ অভিনয় সেই পর্চা নিয়ে। আমি স্পেশালিস্টের উদ্দেশে মনে মনে বললাম, ‘তুমি ব্যাটা খোট্টা মুসলমান, আম্মো হালা বাঙাল পাঁতি ল্যাড়ে! দেখাচ্ছি তোমাকে।’ এবারে ক্যাণ্ডিডেট পর্চাটি যেই ফেরত দিতে যাচ্ছে অমনি, তৈরী ছিলুম বলে, আমি সেটা নিয়ে নিলুম। ওমা! যত পড়ি, আগা-পাস্তালা ঘুরিয়ে দেখি, ততই কোনো মানে ওৎরায় না। ইতিমধ্যে আরেক ওমেদার এসে গেছে এবং চসার না পৌণ্ড কি যেন আরম্ভ হয়ে গিয়েছে। আমার দৃষ্টি ঐ পর্চাটির দিকে নিবদ্ধ।

ইয়াল্লা! অব্‌ সমঝ্‌লন বা। যে দু লাইন কবিতা ছিল সেটা অনেকটা আমাদের—

হরির উপরে হরি

হরি বসে তায়

হরিকে দেখিয়া হরি

হরিতে লুকায়!

‘হরি’ শব্দের কটা মানে হয়, আমি সত্যই জানি নে—কান ছুঁয়ে বলছি। কিন্তু ছিঃ। কারো বাংলা জ্ঞানের পরীক্ষা যদি নিতান্তই নিতে হয় তবে এই ধরনের ‘জামাই-ঠকানো কবিতাই কি ন্যায্যতম, প্রশস্ততম!!

কিন্তু এহ বাহ্য।

পরে, অন্তত আমি বুঝতে পারলম দই খাচ্ছেন কোন্‌ রমাকান্ত আর বিকার হচ্ছে কোন গোবদ্দনের?

দু-একটি পাকা মেম্বরও হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন ব্যাপারটা কি। লেখাপড়ায় এক-একটি আস্ত বিদ্যাসাগর বলেই ওদের নাসিকায় থাকে সারমেয়বিনিন্দিত গন্ধসন্ধানী অন্ধিসন্ধি।

ক্যাণ্ডিডেটের পরে ক্যাণ্ডিডেট—কেউ ভালো, কেউ মন্দ, কেউ মাঝারি, সংসারে যা হয়—ইণ্টারভ্যু স্বয়ংবরে আমাদের মত ইন্দুমতীর সামনে প্রকাশ হলেন। কিন্তু সবাই মার খেলেন, ঐ পর্চাটুকুর সামনে, ঐ চিরকুট্‌টি সব্বাইকার ওয়াটারলু।

ইতিমধ্যে কী আশ্চর্য, কী তিলিস্মাৎ—একটি ওমেদার পর্চাটি পাওয়া মাত্রই সেটি গড়গড়িয়ে পড়ে গেল, আদ্যন্ত! যেন তার প্রিয়ার আড়াইশ’ নম্বরী প্রেমপত্র!

ইন্টারভ্যু শেষে লাঞ্চ। সরকারী লাঞ্চকে আমি বলি লাঞ্ছনা। অবশ্য সর্বোচ্চ মহলে নয়। সেখানে লাঞ্চের অজুহাতে আপনার জন্য পেলেটে করে রোলস্‌-রইস গাড়ি আসতে পারে তন্বঙ্গী পরী-পয়্‌করী চালিতা। ড্রাইভারিণীটি ফাউ, থ্রোন ইন ফর গড মেঝার!

পালাবার চেষ্টা করার সময় ধরা পড়লুম সেই পঞ্চ-ক্যুশন-মর্দন মহাজনের হাতে! বললেন, ‘হেঁ হেঁ হেঁ হেঁ, আপনাদের ঐ স্পেশালিস্টটি আপন ওমেদারকে একটু ভালো করে রিহার্সেল করালেন না কেন? ও যদি সাতবার ঢোঁক গিলতো, এগারো বার হোঁচট খেয়ে খেয়ে চিরকুটটির কবিতা পড়তো, তবে হয় তো, আমাদেরও বিশ্বাস জন্মাতো, সে ঐ কবিতাটি ইতিপূর্বে কখনো দেখে নি।’

৩০/১০/৬৫

টিকা ও মন্তব্য

  1. ১.↑
    আমার যদ্দূর জানা, কচ্ছবাসীরা জায়গাটার নাম কচ্ছী বা গুজরাতী বা কাঠিয়াওয়াড়ীতে বানান করে কচ্ছের ‘রণ’—“রান’ বা ‘রাণ’ নয়।